YouTube

ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করার উপায় ২০২১।

ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করার উপায়। প্রায় সকল ইউটিউবার ই ইউটিউব ভিডিও এসইও করার কৌশল খুজে যেন তারা তাদের ভিডিওটি সার্চ রেজাল্ট পেজে উপরে নিয়ে আসতে পারেন।  আজকের এই আর্টিকেলে আপনি শিখবেন ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করার কৌশল ২০২১। যেগুলো মেনে ভিডিও তৈরী করলে আপনার ভিডিও র‍্যাংক হওয়ার চান্স অনেক গুন বেড়ে যাবে ।

ইউটিউব এসইও এর মাধ্যমে কিভাবে নিজের ভিডিওকে র‍্যাংকে নিয়ে আসা যায় এইটা সব ইউটিউবারের ই জানা উচিত। নতুন ইউটিউবারদের জন্য এইটা অনেক কার্যকরী উপায় তাদের সাবস্ক্রাইবার এবং ওয়াচ টাইম বাড়ানোর জন্য।

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল কে র‍্যাংক এ নিয়ে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার এবং ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম পুরন করবেন তা শিখতে চাইলে এই সম্পুর্ন আর্টিকেলটি আপনাকে পড়তে হবে।

ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করার উপায় ;

ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করার উপায়

এসইও মানে হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। অর্থাৎ ইউটিউব ভিডিওকে সঠিক ভাবে অপটিমাইজ করে রেজাল্ট পেজে র‍্যাংক করাই হলো ইউটিউব এসইও।

আপনি সঠিক ভাবে হাজার হাজার ভিডিও আপলোড করলেও ভিউ পাবেন না যদি ভিডিওটি সঠিক ভাবে এসইও অপ্টিমাইজড না হয় কারণ ইউটিউব এর এলগরিদম এসইও এর উপর ডিপেন্ড করে ভিডিও র‍্যাংক করায়।

তাহলে চলুন ইউটিউব এসইও ফ্যাক্টর গুলো জেনে নেই।

থাম্বনাইল এর রেজুলেশন। 

ইউটিউবের ভিউ বাড়াতে থাম্বনাইল এর রেজুলেশন এর ভুমিকা অনেক।  থাম্বনাইলের সাইজ ১৬ঃ৯ অনুপাত এ করা বেস্ট। ইউটিউব নিজেই এই সাইজের থাম্বনাইল ব্যাবহার করতে বলেছে।

অনেক ভিউয়ার আছেন যারা কেবল ইউটিউব থাম্বনাইল দেখেই ভিডিওতে ক্লিক করে। ইউটিউব এর নিয়ম অনুযায়ী ১ এমবির উপরে এবং ২ এমবির নিচে ক্লিয়ার এবং আকর্ষণীয় থাম্বনাইল বানাতে হয়। যা দেখে ভিউয়ার রা আপনার ভিডিওটি দেখতে উৎসাহিত হয়।

ইউটিউব এর এলগরিদম এর একটা সিক্রেট হলো আপনার ভিডিও যত জনের কাছে পৌঁছাইছে সেখান থেকে কত জন মানুষ ভিডিওটি দেখলো। সেক্ষেত্রে থাম্বনাইল কিন্তু অনেক সেরা একটি উপায় ভিউ বাড়ানোড় ক্ষেত্রে।

তবে থাম্বনাইল মেক করার ক্ষেত্রে দুই নাম্বারি করা চলবে না। অর্থাৎ আপনার ভিডিওটি টেকনোলজি নিয়ে কিন্তু থাম্বনাইল বানালেন হেলথ নিয়ে সেক্ষেত্রে ভিজিটর ড্রপ হবে এবং ইউটিউব এলগরিদম আপনার ভিডিওটি স্প্যাম হিসেবে ধরে নিবে। যা র‍্যাংকিং এ অনেক বাজে প্রভাব ফেলবে।

থাম্বনাইল তৈরির জন্য জনপ্রিয় কিছু টুলস হলোঃ

অফলাইন টুলস: InDesign, Picsart, illustrator, Photoshop cc ইত্যদি।

অনলাইন টুলস : Canva, Thumbnail Maker, Photopea ইত্যাদি।

Read Also: মোবাইলের স্পীড বাড়ানোর উপায়

ভিডিওতে রিলেটেড ট্যাগ ব্যাবহার করুন।

রেজাল্ট পেজে ভিডিও র‍্যাংক করানোর ক্ষেত্রে ট্যাগ এর ব্যাবহার সবার উপরে। ভিডিও এর সাথে সম্পর্কিত ট্যাগ ব্যাবহার না করে কখনই রেজাল্ট পেজে ভিডিওকে উপরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।

মুলত ট্যাগ ব্যাবহার এর ফলেই ইউটিউব এলগরিদম বুঝতে পারে যে আপনার ভিডিও টি কিসের? এই ভিডিও টি কাদের কাছে পৌছাবে। আর সেই ট্যাগ ব্যাবহার না করলে ইউটিউব কখনই বুঝতে পারবে না আপনার ভিডিও কোন টপিক এর যার ফলে র‍্যাংকিং তো দুরের কথা কারো কাছে ভিডিও পৌঁছাতেই পারবে না।

আমরা ইউটিউব ভিডিও এর ট্যাগ বিভিন্ন টুলস ব্যাবহার করেই বের করতে পারব। গুগলে YouTube Tag Finder লিখে সার্চ করলে অনেক সাইট আসে সেখান থেকে কয়েকটা সাইট ব্যাবহার করতে পারেন।

আপনি যদি টেকনোলজি বা সাইন্স নিয়ে ভিডিও তৈরি করে থাকেন সেক্ষত্রে ট্যাগ হিসেবে কেমিস্ট্রি, আর্থ, টেকনোলজি টাইপের ট্যাগ ব্যাবহার করতে পারেন।

ইউটিউব এসইও চেক করা, ট্যাগ চেক করা সব কিছুর জন্য সেরা এবং জনপ্রিয় একটি অ্যাপ হলো Tube Buddy. যা দিয়ে আপনি আপনার ট্যাগ এর মান, অন্যরা কি কি ট্যাগ ব্যাবহার করছে সব কিছু পরীক্ষা করতে পারবেন। 

সব মিলিয়ে ইউটিউব প্রায় ৫০০ টি ট্যাগ একটা ভিডিওতে ব্যাবহার করতে দেয়। তাই আমাদের উচিত ভিজিটর কি লিখে সার্চ করতে পারে, আমাদের ভিডিওটি কি রিলেটেড সেই বিষয় মাথায় রেখে ট্যাগ ব্যাবহার করা যেন সার্চ পেজে ১০ এর ভেতর আমাদের ভিডিওটি র‍্যাংক করে।

Info Card এবং End Screen ব্যাবহার করুন।

আপনি যদি ইউটিউব ভিডিওতে ইনফো কার্ড এবং ইন্ড স্ক্রিন ব্যাবহার করেন সেক্ষত্রে একটি ভিডিও থেকেই বাকি ভিডিওতে ভিজিটর নিতে পারবেন যা অনেক তাড়াতাড়ি ইউটিউব এ র‍্যাংক করতে সাহায্য করবে।

আপনি যদি ইনফো কার্ড বা End Screen সম্পর্কে না জানেন তাহলে আর্টিকেল টি পড়তে থাকুন। সব কিছু এক এক করে আলোচনা করব।

Read Also: জেনে নিন ইন্সট্রাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় ;

ইনফো কার্ড / Info Card.

একটি ভিডিও এর মধ্যে অন্য একটা ভিডিও পপ-আপ এর মাধ্যমে যেকোন টাইমে শো করানোই হলো ইনফো কার্ড।

অনেক সময় দেখবেন যে বিভিন্ন ইউটিউব ভিডিও এর উপরে সাদা এবং আই (i) বাটন থাকে যেখানে অন্য একটি ভিডিও এর লিংক দেওয়া থাকে। সেটাই হলো মুলত ইনফো কার্ড।

End Screen কী?

End Screen হলো ভিডিও এর শেষের ১০ সেকেন্ড বা ১৫ সেকেন্ড আগে ভিডিও এর উপর বক্স আকারে সেই রিলেটেড কিছু ভিডিও এর লিংক করা।

ইউটিউব ভিডিও শেষের দিকে অনেকের দেখবেন ভিডিও এর উপরে আরো কয়েকটা ভিডিও এর লিংক বা থাম্বনাইল দেখা যায় যেগুলায় ক্লিক করলে নতুন আরেকটা ভিডিওতে নিয়ে যায়। 

এটি ব্যাবহার এর ফলে এক ভিডিও র‍্যংক করে এবং অনেক গুলা ভিডিওতে ভিউয়ার বাড়ায়। তাই অবশ্যই End Screen ব্যাবহার করবেন।

এসইও ডেস্ক্রিপশন / Seo Description. 

ভিডিও ডেস্ক্রিপশন বক্সে এসইও রিলেটেড ট্যাগ ব্যাবহার করে ডেস্ক্রিপশন লিখুন। যার ফলে এটি অন পেজ এসইও এর মতো কাজ করবে এবং র‍্যাংকিং এর ক্ষেত্রে অনেক বেশী কার্যকর হবে।

এসইও ডেস্ক্রিপশন লিখার ফলে এলগরিদম আরো ভালো ভাবে বুঝতে পারে আপনার ভিডিওটি এবং র‍্যাংকিং এ নিয়ে যায়।

এসইও ডেস্ক্রিপশন লিখতে গেলে অবশ্যই ২০০ ওয়ার্ডের বেশী লম্বা ডেস্ক্রিপশন লিখবেন এবং সেখানে কয়েকবার ট্যাগ এবং ভিডিও টাইটেলের কিছু অংশ ব্যাবহার করবেন।

Also Read: কি দেখে মোবাইল কিনবেন?

সবার সাথে ভিডিওটি শেয়ার করুন।

ইউটিউব ভিডিও টি যত বেশী শেয়ার হবে ততই ভিডিও র‍্যাংক করার চান্স বেড়ে যাবে অনেক গুন। তাই সব সময় সবার সাথে ভিডিওটি শেয়ার করুন এবং ভিডিও দেখার পরামর্শ দিন যার ফলে টাইম বাড়বে এবং র‍্যাংকিং দুইটাই এক সাথে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button